৩৩ বছরের এই পেসার ২০১৪-তে প্রথম আইপিএলে খেলেন। গত তিন মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে অধিনায়ক হিসেবে বছরে ১৯ লাখ ডলারের পারিশ্রমিক পেয়েছেন।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার আগামী বছরের ক্রিকেট ক্যালেন্ডার খুবই ঠাসা। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে চারটা টেস্ট, মার্চে মেলবোর্নে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫০ বছরের বিশেষ টেস্ট, তারপর পুরো অ্যাশেজ সিরিজ, শেষে অক্টোবর-নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে বিশ্বকাপ— সব মিলিয়ে বিশ্রাম নেওয়া তো কঠিনই।
কামিন্স বুধবার সিডনি মর্নিং হেরাল্ড-কে বললেন, “পরের বছর কোথাও একটা ছাড় দিতেই হবে। কিন্তু সেটা টেস্ট বা বিশ্বকাপের জন্য হবে না।”
তিনি বলেছেন, “সময় এসে গেলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিতেও কথা বলব, কোনটা বাস্তবসম্মত। পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে— চোট-বিশ্বাসঘাতক তাই এখনই পাকাপাকি কিছু বলছি না।”
কামিন্সের মতামত, “টেস্ট আর বিশ্বকাপ আমার কাছে সবসময় সবার আগে। ভারতের পুরো সিরিজ খেললে, কঠিন অ্যাশেজের আগে কিছুটা বিশ্রামের দরকার পড়বে, সেটা আমার মনে হয়।”
গত গ্রীষ্মে শুধু অ্যাডিলেড টেস্ট খেলেছিলেন কামিন্স, পিঠের চোট-ঝামেলা তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিলেন না।
অস্ট্রেলিয়ার দুই অভিজ্ঞ পেসার— জশ হ্যাজেলউড আর মিচেল স্টার্ক— দু’জনই ত্রিশের শেষ সীমায়। তাই আসছে মিডে নিউজিল্যান্ড সিরিজেও তাদের কিছুটা বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন কামিন্স।
এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, “হ্যাঁ, সম্ভব। গত কয়েক বছরে প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমরা খোলামেলা ভাবি।”
তিনি আরও যোগ করলেন, “এরকম হতে পারে, কিছু বোলারকে আস্তে আস্তে বিশ্রামে পাঠানো হবে। ভারতের সিরিজশেষে যদি মনে হয় কেউ আর খেলবে না, তাহলে অ্যাশেজের আগেই বাড়তি একটু বিশ্রামের সুযোগ দেই।”
সবশেষে কামিন্স বলেন, “আগামী ১৮ মাস আমাদের জন্য ভীষণ ব্যস্ত। আশা করি, কখনো সেটা ফিরে দেখলে নিজেদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হিসেবেই মনে হবে।”